
টঙ্গীর কেরানিটেকে অভিযানে রহস্য ঘনীভূত: কাউন্সিলর প্রার্থী শাহীন কি চক্রান্তের শিকার?
নিজস্ব প্রতিবেদক | টঙ্গী, গাজীপুর
গাজীপুরের টঙ্গীর কেরানিটেক এলাকায় সাম্প্রতিক অভিযানে আটক ও অভিযোগের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ৪৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ও রাজনৈতিক কর্মী শাহীন ওরফে রিজভীকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে পরিচিত একজন ব্যক্তি হঠাৎ কীভাবে মাদক-সংশ্লিষ্ট অভিযোগে জড়িয়ে পড়লেন? নাকি এর পেছনে রয়েছে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র?
এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, শাহীন ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে একটি গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার ও চাপ সৃষ্টি করছে। তাদের ভাষ্য, একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে টার্গেট করে সামাজিক, রাজনৈতিক ও মানসিকভাবে কোণঠাসা করার চেষ্টা চলছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, অভিযানে যাদের জড়ানো হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পেছনে পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ রয়েছে কি না। স্থানীয়দের মতে, যদি কোনো ব্যক্তিগত বিরোধ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বা প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে কাউকে ফাঁসানো হয়ে থাকে, তবে তা শুধু একটি পরিবারের নয়—পুরো সমাজ ও বিচারব্যবস্থার জন্য উদ্বেগজনক।
পরিবারের সদস্যরা জানান, “আমরা সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত চাই। যদি কেউ অপরাধী হয়, তার বিচার হোক। কিন্তু নির্দোষ কাউকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে হয়রানি করা হলে তারও বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”
বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে সেটিকে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা জরুরি। কারণ প্রমাণ ছাড়া কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা যেমন অন্যায়, তেমনি অপরাধ আড়াল করাও সমান ক্ষতিকর।
এখন স্থানীয়দের একটাই দাবি—ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে প্রকৃত সত্য জনসম্মুখে প্রকাশ করা হোক। যদি শাহীন ও তার পরিবার ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে থাকেন, তবে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পুনর্মূল্যায়ন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হোক।

Reporter Name 







