
নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার মাছিমপুর ইউনিয়নের ধানুয়া উত্তরপাড়া গ্রামের ৮৩ বছর বয়সী বিধবা মিলন রানী দাস চরম অসহায়ত্বের মধ্যে জীবনযাপন করছেন। স্বামী ও সন্তানহীন এই বৃদ্ধার মাথা গোঁজার মতো নিরাপদ কোনো আশ্রয় নেই। তার পুরোনো টিনের ঘরটি ধসে পড়েছে এবং বর্তমানে তিনি সেই ধসে পড়া ঘরেই মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ঘরটির অধিকাংশ টিনের বেড়া ভেঙে গেছে এবং কাঠামোর বিভিন্ন অংশও ধসে পড়েছে। দরজা ও জানালা ভাঙা এবং পুরো ঘরটি অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। ফলে বৃষ্টি, ঝড় কিংবা রোদ থেকে রক্ষা পাওয়ার কোনো উপায় নেই। মিলন রানী দাস খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন।
মিলন রানী দাসের স্বামী মৃত সুচিন্দ্র চন্দ্র দাসের কোনো সন্তান নেই। তার প্রথম সংসারের একমাত্র ছেলে বাবার মৃত্যুর পর সব সম্পত্তি বিক্রি করে চলে গেছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারী সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় থাকা সত্ত্বেও তিনি প্রয়োজনীয় সহায়তা পাননি।
এলাকাবাসী দাবি করেছেন, প্রকৃত অসহায় মানুষ অনেক সময় সরকারি ভাতা ও সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন। তারা মিলন রানী দাসের জন্য একটি নিরাপদ ঘরের ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন।
শিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. ফারজানা ইয়াসমিন জানিয়েছেন, মিলন রানী দাসের জন্য ঘর নির্মাণে সহায়তা হিসেবে দুই বান্ডিল ঢেউটিন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এছাড়া তার অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তার বিষয়েও খোঁজ নেওয়া হবে।

Reporter Name 






















